বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
বছরের শুরুতেই দেশের প্রধান চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে অন্তত সাতটি জেটি ফাঁকা পড়ে আছে। এরই মধ্যে খোলা পণ্য নামানোর জেটি যেমন আছে, তেমনি আছে কনটেইনার জেটিও। বহির্নোঙরে পণ্যবাহী জাহাজ অপেক্ষমাণ না থাকায় বন্দরের ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ জেটির মধ্যে সাতটিই এখন জাহাজের অপেক্ষায় বসে আছে।,
প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ একক কনটেইনার ওঠানামা দিয়ে ২০২২ সাল শেষ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। আগের বছরের তুলনায় ২ শতাংশ কনটেইনার ওঠানামা কমেছে এই বন্দরে। আর খোলা পণ্য ওঠানামা বেড়েছে আড়াই শতাংশ। এর মধ্য দিয়ে জাহাজজট ছাড়াই নতুন বছর শুরু করল এই সমুদ্রবন্দর।,
তাহলে কি বন্দরে পণ্য ওঠানামা কমেছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পণ্য ওঠানামা কমেছে কি না সেটি জানতে মাসের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আর জেটি ফাঁকা থাকার মূল কারণ হচ্ছে, পণ্য ওঠানামায় বন্দরের দক্ষতা বৃদ্ধি। দ্রুততম সময়ে জাহাজে পণ্য ওঠানামা শেষ করায় বেশি জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব হচ্ছে। আর এতে কনটেইনার জাহাজকে অপেক্ষমাণ থাকতে হচ্ছে না। ’,
তিনি বলেন, কনটেইনার জাহাজ চট্টগ্রামে আসার একটা প্রবাহ থাকে; কখনো একসঙ্গে বেশ কয়েকটি জাহাজ আসে, আবার কখনো বহির্নোঙর ফাঁকা থাকে। একই সঙ্গে খোলা পণ্যবাহী জেটি ফাঁকা থাকার মূল কারণ হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় আমদানি কমে যাওয়া।